- প্রযোজ্য নয়
- মে ১৯৭১
- ১৩৭
বাংলা দেশে নৃশংস বর্বরতার বিরুদ্ধে বিজ্ঞানীদের প্রতিবাদ
বাংলা দেশে পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গীশাহীর নৃশংস বর্বরতার বিরুদ্ধে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের উদ্যোগে গত ১৬ই এপ্রিল, ’৭১ তারিখে পরিষদ ভবনে পশ্চিম বঙ্গের বিজ্ঞানী, বিজ্ঞানকর্মী ও জ্ঞানানুরাগী জনসাধারণের একটি প্রতিবাদ-সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু। পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠী কর্তৃক হিংস্র পশুশক্তির চরম প্রকাশের তীব্র নিন্দা করে এবং বাংলা দেশের অভূতপূর্ব মুক্তি-সংগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করে ভাষণ দেন অধ্যাপক প্রিয়দারঞ্জন রায়।
নিম্নলিখিত প্রস্তাবটি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়—
“বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভা বাংলা দেশে পশ্চিম পাকিস্তানের জঙ্গী গোষ্ঠীর নৃশংস বর্বরতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাইতেছে এবং বাংলা দেশের অভূতপূর্ব মুক্তি-সংগ্রামের প্রতি সম্পূর্ণ সহানুভূতি ও সমর্থন জ্ঞাপন করিতেছে। বাংলা দেশের বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, ছাত্র, তথা সমগ্র জনসাধারণের উপর নারকীয় অত্যাচার যাহাতে অবিলম্বে বন্ধ হয়, সেই উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সরকারের উপর নৈতিক প্রভাব প্রয়োগ করিবার জন্য বিশ্বের বিজ্ঞানীসমাজের নিকট এই সভা আবেদন জানাইতেছে। বাংলা দেশের জনপ্রিয় সরকারকে অবিলম্বে কুটনৈতিক স্বীকৃতি দানের জন্য ভারত সরকারকে এই সভা অনুরোধ করিতেছে। বাংলা দেশের ঐতিহাসিক মুক্তি-সংগ্রামে যথাসাধ্য সাহায্য করিবার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করা হইতেছে।”
সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু বলেন, পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্যদের আক্রমণে বাংলা দেশে যে গণহত্যা ও নিদারুণ অত্যাচার চলছে, তাতে আমরা মর্মান্তিক দুঃখিত ও বিচলিত। এই ব্যাপারে যতটা সম্ভব অর্থ-সাহায্য ও প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র দিয়ে বাংলা দেশের জনগণের প্রতি সহানুভূতি জ্ঞাপন করা আমাদের একান্ত কর্তব্য। তিনি সকলের নিকট এই উদ্দেশ্যে সাহায্য ও সহযোগিতার জন্য আবেদন জানান।
পরিশেষে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদের কর্মসচিব ডক্টর জয়ন্ত বসু পশ্চিম পাকিস্তানের বর্বরতার বিরুদ্ধে বাংলা দেশের মানুষের বলিষ্ঠ সংগ্রামকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁদের এই মুক্তি-সংগ্রামের সাহায্যার্থে বিজ্ঞান পরিষদ কর্তৃক একটি সাহায্য তহবিল খোলার কথা ঘোষণা করেন এবং এই তহবিলে সকলকে যথাসাধ্য দান করতে আহ্বান জানান।
দান পাঠাবার ঠিকানা—
বাংলা দেশ সাহায্য তহবিল
বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ
পি-২৩, রাজা রাজকৃষ্ণ স্ট্রীট, কলিকাতা-৪
(ফোন: ৫৫-০৬৬০)।
জ্ঞান ও বিজ্ঞান, চতুর্বিংশ বর্ষ, পঞ্চম সংখ্যা, মে ১৯৭১
প্রযোজ্য নয়
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
-
১৪৫৬ সালে জার্মানির গুটেনবার্গ কর্তৃক মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের অল্পদিনের মধ্যে তা সারা ইউরোপ ও আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। এর ঠিক একশ বছর পর অর্থাৎ ১৫৫৬ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম মুদ্রণযন্ত্র আমদানি করেন পর্তুগিজরা। সুতরাং এ উপমহাদেশে ছাপাখানার প্রবর্তক—পর্তুগিজরা।
১৫৫৭ সালে ছাপাখানাটি থেকে প্রথম বই ছাপা হয়। ধারণা করা হয় ১৫৫৬ সাল থেকে ১৫৬১ সাল পর্যন্ত গোয়ায় পাঁচটি বই ছাপা হয়েছিল। যদিও এখন পর্যন্ত কারো চোখে একটি বইও দেখার সৌভাগ্য হয়নি। প্রথম নিদর্শন হিসেবে যে বইটি এখনো আছে সেটা হলোCompendio Spirtiual Da Vida Christa। নিউইয়র্কের পাবলিক লাইব্রেরিতে রাখা আছে বইটি। গোয়ার পর ছাপাখানার কেন্দ্র হয় কুইলনে। সেখান থেকে ১৫৭৮ সালে তামিল
-
পাকিস্তান রাষ্ট্রের ‘ইষ্ট (পূৰ্ব্ব) পাকিস্তান’ নাম পরিবর্ত্তন করিয়া ‘পূর্ব্ব বাংলা’ বা শুধু ‘বাংলা’ করিবার প্রস্তাব আসিয়াছে। যদি ইহা শেষ পর্য্যন্ত সম্ভব হইয়া উঠে, এবং যাহার সম্ভাবনা সমধিক, তাহা হইলে কেবল পূৰ্ব্ব বা পশ্চিম নহে, যেখানে যত বাঙ্গালী আছে সকলেই গৰ্ব্বানুভব করিবে। পাকিস্তানের অন্যতর জাতীয় ভাষা (উর্দুর সঙ্গে সমপর্যায়ে) বাংলা নিজ উৎসের সন্ধান এবং পুনর্বাসনে উৎফুল্ল হইয়া নিজ মহিমায় ফুটিয়া উঠিবার শক্তিলাভ করিবে। একদিন ইহা যে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হইয়া উঠিবে না তাহাই বা কে বলিতে পারে? সপত্নী উদ্দুর শিরঃ-পীড়ার কথা পরে আলোচনা করিতেছি।
আয়ূব খাঁনের পর (মেজর জেনারেল আঘা মহম্মদ) ইয়াইয়া খাঁন ১৯৬৯ মার্চ্চ ২৫-এ পাকিস্তানের ডিক্টেটর বা হর্তাকর্তা হইয়া
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
Comments